dgc33-এর ভিআইপি সদস্যরা পান বিশেষ ক্যাশব্যাক, দ্রুত উইথড্রয়াল, ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ও মাসিক বোনাস। ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে ডায়মন্ড পর্যন্ত চারটি লেভেলে সুবিধা বাড়তে থাকে।
আপনার বেটিং পয়েন্ট জমা হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী লেভেলে উন্নীত হবেন
প্রতিটি বেটই আপনাকে পরবর্তী লেভেলের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়
প্রতি ৳১০০ বেটে ১০ পয়েন্ট। স্লট ও ফিশ গেমে সবচেয়ে দ্রুত পয়েন্ট জমে।
প্রতি ৳১০০ বেটে ৮ পয়েন্ট। ব্যাকারা, রুলেট ও ব্ল্যাকজ্যাক সহ সব লাইভ টেবিলে প্রযোজ্য।
প্রতি ৳১০০ বেটে ৬ পয়েন্ট। ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস সব ইভেন্টে পয়েন্ট পাবেন।
প্রতি ৳১০০ বেটে ৭ পয়েন্ট। বিঙ্গো সেশনে যত বেশি অংশ নেবেন, তত বেশি পয়েন্ট।
অনেক অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে ভিআইপি প্রোগ্রাম থাকলেও dgc33-এর পদ্ধতি কিছুটা আলাদা। এখানে ভিআইপি মেম্বারশিপ অর্জন করতে বিশেষ কোনো আমন্ত্রণের দরকার নেই। আপনি যত বেশি খেলবেন, তত বেশি পয়েন্ট জমবে এবং লেভেল বাড়বে – একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া।
ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে ডায়মন্ড পর্যন্ত চারটি লেভেলে সুবিধার পার্থক্য উল্লেখযোগ্য। ব্রোঞ্জ লেভেলেও আপনি ৫% ক্যাশব্যাক এবং সাপ্তাহিক ফ্রি স্পিন পাবেন, যা অনেক প্ল্যাটফর্মে শুধুমাত্র উচ্চতর লেভেলেই দেওয়া হয়। এটি dgc33-এর একটি বিশেষ দিক – নতুন সদস্যদেরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।
গোল্ড লেভেলে পৌঁছালে আপনি পাবেন একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, যিনি আপনার যেকোনো সমস্যায় সরাসরি সাহায্য করবেন। উইথড্রয়ালের সময়ও কমে আসে মাত্র ১ ঘণ্টায়। বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং বা নগদে টাকা তোলার ক্ষেত্রে এই গতি অত্যন্ত কার্যকর।
ডায়মন্ড লেভেল dgc33-এর সর্বোচ্চ পর্যায়। এই লেভেলে ক্যাশব্যাক ১০% এবং মাসিক বোনাস ৳১৫,০০০ পর্যন্ত পৌঁছায়। এছাড়া প্রাইভেট টুর্নামেন্ট এবং বিশেষ ইভেন্টে এক্সক্লুসিভ আমন্ত্রণ পাওয়া যায় যা সাধারণ সদস্যদের জন্য খোলা থাকে না।
dgc33-এর পয়েন্ট সিস্টেমটি তৈরি হয়েছে এমনভাবে যাতে যেকোনো গেম বিভাগে খেললেই পয়েন্ট পাওয়া যায়। আপনি যদি স্লট পছন্দ করেন বা ক্রিকেট বেটিং – উভয় ক্ষেত্রেই পয়েন্ট জমবে। তবে স্লট ও ফিশ গেমে পয়েন্টের হার সবচেয়ে বেশি, তাই যারা দ্রুত লেভেল বাড়াতে চান তারা এই বিভাগগুলোতে বেশি সময় দিতে পারেন।
লেভেল ডাউনগ্রেড নিয়েও অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। dgc33-এ প্রতি ৩ মাসে একবার পয়েন্ট রিভিউ হয়। যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ সক্রিয়তা না থাকে তাহলে লেভেল এক ধাপ কমতে পারে। তাই নিয়মিত খেলাই হলো লেভেল ধরে রাখার সেরা উপায়।
একনজরে সব লেভেলের পার্থক্য দেখুন
| সুবিধা | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| দৈনিক ক্যাশব্যাক | ৫% | ৬% | ৮% | ১০% |
| মাসিক বোনাস | ৳৫০০ | ৳২,০০০ | ৳৫,০০০ | ৳১৫,০০০ |
| উইথড্রয়াল গতি | সাধারণ | ৪ ঘণ্টা | ১ ঘণ্টা | তাৎক্ষণিক |
| ফ্রি স্পিন | সাপ্তাহিক | দৈনিক | দৈনিক (বাড়তি) | সীমাহীন |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | ||||
| প্রাইভেট টুর্নামেন্ট | ||||
| জন্মদিন বোনাস | ||||
| উচ্চতর উইথড্রয়াল লিমিট |
dgc33 ভিআইপি হওয়া মানে শুধু বোনাস নয়, একটি সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা
প্রতিদিন রাত ১২টার পরে আগের দিনের নেট লসের উপর ক্যাশব্যাক সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে আসে। কোনো আবেদন করতে হয় না, কোনো ওয়েজারিং শর্তও নেই।
গোল্ড ও ডায়মন্ড সদস্যরা পান একজন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার। ডিপোজিট, উইথড্রয়াল বা যেকোনো সমস্যায় সরাসরি তাঁর সাথে যোগাযোগ করা যায়।
ডায়মন্ড সদস্যদের উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট তাৎক্ষণিকভাবে প্রসেস হয়। মোবাইল ব্যাংকিং, নগদ ও রকেটে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়।
dgc33 প্রতিটি ভিআইপি সদস্যের জন্মদিনে বিশেষ বোনাস দেয়। ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা ও পহেলা বৈশাখেও এক্সট্রা অফার থাকে।
ডায়মন্ড সদস্যরা বিশেষ প্রাইভেট টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেন যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ অনেক বেশি এবং প্রতিযোগী সংখ্যা সীমিত।
প্রতিবার নতুন লেভেলে উঠলে একটি বিশেষ ওয়েলকাম বোনাস দেওয়া হয়। সিলভারে ৳৩০০, গোল্ডে ৳১,০০০ এবং ডায়মন্ডে ৳৩,০০০ পর্যন্ত।
ভিআইপি প্রোগ্রাম নিয়ে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে
dgc33-এ অ্যাকাউন্ট খুলতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগে। নিবন্ধনের সাথে সাথে ব্রোঞ্জ লেভেল শুরু হয় এবং খেলতে খেলতে ডায়মন্ড পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া সম্পূর্ণ আপনার হাতে।